টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ১৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শনিবার (৩ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের মতো যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলাকালে এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের আটটি আসনে মোট ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ত্রুটি ও শর্ত পূরণ না করায় ১৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এর মধ্যে শুক্রবার চারটি আসনের নয়জন এবং শনিবার বাকি আসনগুলোর পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। অন্যান্য আসনের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শুরু হয়। এ সময় ভোটার তালিকার ত্রুটি, নির্ধারিত নিয়মে ফরম পূরণ না করা, দলীয় মনোনয়নপত্র জমা না দেয়া এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব সংক্রান্ত ত্রুটিসহ বিভিন্ন কারণে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তারা হলেন- গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, খেলাফতে মজলিসের হাসনাত আল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির হাসরাত খান ভাসানী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন।
এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চারটি আসনের নয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোন্তাজ আলী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারুন অর রশীদের মনোনয়ন বাতিল হয়। টাঙ্গাইল-২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনোয়ার হোসেন সাগরের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
টাঙ্গাইল-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার ও শাহজাহান মিয়ার এবং টাঙ্গাইল-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিঞা ও ডা. শাহ আলম তালুকদারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
জেলা নির্বাচন অফিস জানায়, মনোনয়ন বাতিলের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি, আয়-ব্যয়ের সত্যায়িত কপি জমা না দেওয়া, সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা এবং অবসর-পরবর্তী নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হওয়া। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।

0 মন্তব্যসমূহ